রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত নির্মাতা; ভুগছেন নিরাপত্তাহীনতায়

|

রাজধানীর শ্যামলীতে নিজ বাসভবনের প্রধান ফটকে স্থানীয় কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন লেখক-নির্মাতা আল নাহিয়ানসহ আরও পাঁচ জন। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে আল নাহিয়ান বলেন, আমি শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি সেজন্যই আমার উপরে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি, আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই। তারা এখনও ভয়ভীতি সৃষ্টি করছে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এলাকায় অপকর্ম ও যত্রতত্র অবৈধ কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায়, অতর্কিত কিশোর গ্যাংয়ের ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাসভবনের মূল ফটক ভেঙে ভিতরে ঢোকার অপচেষ্টা করে। তৎক্ষণাৎ জরুরি সেবাকেন্দ্র ৯৯৯-এ কল করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।তাদের উপস্থিতিতেই হামলা করে তারা।

সন্ত্রাসীদের হামলায় নাহিয়ান ছাড়াও গুরুতরভাবে আহত হন ভবনের সভাপতি গোলাম রাজ্জাক ও তার দুই পুত্র, নাহিয়ানের মা মাহবুবা বেগম ও ভাই তোহা। এ ঘটনায় ভবনের সভাপতি গোলাম রাজ্জাক বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় কিশোরগ্যাংয়ের সদস্য শান্ত, সাব্বির, মেহেদী, রকি, হৃদয়, আরিয়ান, সামিসহ আরও অন্তত ২০ জন এর সংশ্লিষ্টতার খবর পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই গ্রুপের মূল ইন্ধনদাতা ও পরিকল্পনাকারী আল ইমরান সৈকত নামের এক ব্যক্তি। বিগত কয়েক বছর যাবত শ্যামলী তিন নম্বর সড়কে ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে আসছে সৈকত ও তার সহযোগীরা। আল ইমরান সৈকত বিরুদ্ধে নিজ বাসভবনের কমিটিতে জায়গা পাওয়াকে কেন্দ্র করে ইতোপূর্বে একাধিকবার বহিরাগত দুস্কৃতকারীদের নিয়ে মহড়া দেওয়া এবং অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের সাথে অকথ্য ভাষায় হুমকি-হামলার ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।

দায়েরকৃত মামলায় ৪ জুন রাতেই গ্রেফতার হয় সৈকত। ৬ জুন জামিনে মুক্ত হয়ে প্রায় শতাধিক লোকের বাহিনী নিয়ে এলাকায় শোডাউন চালায় সে। তাদের এমন কর্মকাণ্ডে জান-মালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসাধীন আল নাহিয়ান এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন






Leave a reply